হার্ট অ্যাটাক হঠাৎ করেই হয়, প্রস্তুতির সুযোগ থাকে না, এমনটা মনে হলেও চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শরীর ২৪-৪৮ ঘণ্টা আগেই সতর্কতা দেয়। তবে অনেকেই ছোটোখাটো সমস্যা বলে গুরুত্ব দিতে চান না, ফলে বিপদ আরও বাড়ে। হার্টে রক্ত চলাচল ব্যহত হলে বা করোনারি ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধলে হার্ট অ্যাটাক হয়। কিন্তু এর আগের কয়েক ঘণ্টা বা দিনে এমন নানা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, যা সঠিক সময়ে টের পেলে প্রাণ বাঁচানো সম্ভব।
হার্ট অ্যাটাকের আগে শরীরে কী ঘটে?
চিকিৎসকদের মতে, হার্টে রক্ত যাওয়ার পথ আরও সরু হতে শুরু করে। ধমনীতে জমে থাকা প্লাক হঠাৎ অস্থির হয়ে যায়, ফলে প্রদাহ বাড়ে এবং রক্তপ্রবাহ কমে যেতে থাকে। এতে হৃদপেশিতে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয়। এসব পরিবর্তনের ফলেই কয়েকটি প্রাথমিক সতর্কবার্তা দেখা দেয়।
এক কার্ডিয়োলজিস্ট জানিয়েছেন, "হার্ট অ্যাটাকের ৪৮ ঘণ্টা আগে শরীর বহু সংকেত দেয়। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ সেগুলোকে ক্লান্তি বা গ্যাসের সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যান।"
কী কী লক্ষণ দেখা যায়-
অস্বাভাবিক ক্লান্তি: শরীরচর্চা বা পরিশ্রম ছাড়াই অতিরিক্ত ক্লান্ত লাগা হার্ট দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত। বিশেষত মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি খুব সাধারণ।
বুকের চাপ বা অস্বস্তি: ব্যথা নাও থাকতে পারে। বুকে হালকা চাপ, জ্বালা, ভারী ভাব বা গ্যাসের মতো অস্বস্তি দেখা দিতে পারে যা বারবার আসা–যাওয়া করে।
শ্বাসকষ্ট: সামান্য নড়াচড়া করলেই হাঁপিয়ে যাওয়া বা বসে থাকা অবস্থাতেও শ্বাস নিতে সমস্যা হলে সতর্ক হন।
ঘুমের সমস্যা: হঠাৎ অনিদ্রা, ঘুম ভেঙে যাওয়া বা অকারণে অস্থির লাগা–এসবও সতর্কবার্তা।
হজমের সমস্যা বা বমি ভাব: পেটব্যথা, গ্যাস, বমি ভাব- এসবকে অনেকেই হজমের গোলমাল মনে করেন, কিন্তু এগুলো হার্টের সমস্যাও হতে পারে।
চোয়াল, ঘাড়, পিঠ বা হাতে ব্যথা: বিশেষ করে বাম হাত বা পিঠে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম প্রাথমিক লক্ষণ।
কেন মানুষ এগুলোকে গুরুত্ব দেন না?
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক উপসর্গই স্ট্রেস, অ্যাসিডিটি বা ক্লান্তির মতো সাধারণ সমস্যার সঙ্গে মিলে যায়, তাই মানুষ গুরুত্ব দেন না। পুরুষরা সাধারণত বুকের ব্যথা অনুভব করেন, আর মহিলাদের ক্ষেত্রে থাকে আলাদা লক্ষণ- যেমন বমি ভাব, মাথা ঘোরানো বা ক্লান্তি।
কাদের বেশি ঝুঁকি?
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, স্থূলতা, ধূমপানের অভ্যাস, পরিবারে হার্টের অসুখের ইতিহাস, শরীরচর্চার অভাব- এসব ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি থাকে।
চিকিৎসকরা বলছেন, এই প্রাথমিক লক্ষণগুলি দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু হলে বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব।
হার্ট অ্যাটাকের আগে শরীরে কী ঘটে?
চিকিৎসকদের মতে, হার্টে রক্ত যাওয়ার পথ আরও সরু হতে শুরু করে। ধমনীতে জমে থাকা প্লাক হঠাৎ অস্থির হয়ে যায়, ফলে প্রদাহ বাড়ে এবং রক্তপ্রবাহ কমে যেতে থাকে। এতে হৃদপেশিতে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হয়। এসব পরিবর্তনের ফলেই কয়েকটি প্রাথমিক সতর্কবার্তা দেখা দেয়।
এক কার্ডিয়োলজিস্ট জানিয়েছেন, "হার্ট অ্যাটাকের ৪৮ ঘণ্টা আগে শরীর বহু সংকেত দেয়। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ সেগুলোকে ক্লান্তি বা গ্যাসের সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যান।"
কী কী লক্ষণ দেখা যায়-
অস্বাভাবিক ক্লান্তি: শরীরচর্চা বা পরিশ্রম ছাড়াই অতিরিক্ত ক্লান্ত লাগা হার্ট দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত। বিশেষত মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি খুব সাধারণ।
বুকের চাপ বা অস্বস্তি: ব্যথা নাও থাকতে পারে। বুকে হালকা চাপ, জ্বালা, ভারী ভাব বা গ্যাসের মতো অস্বস্তি দেখা দিতে পারে যা বারবার আসা–যাওয়া করে।
শ্বাসকষ্ট: সামান্য নড়াচড়া করলেই হাঁপিয়ে যাওয়া বা বসে থাকা অবস্থাতেও শ্বাস নিতে সমস্যা হলে সতর্ক হন।
ঘুমের সমস্যা: হঠাৎ অনিদ্রা, ঘুম ভেঙে যাওয়া বা অকারণে অস্থির লাগা–এসবও সতর্কবার্তা।
হজমের সমস্যা বা বমি ভাব: পেটব্যথা, গ্যাস, বমি ভাব- এসবকে অনেকেই হজমের গোলমাল মনে করেন, কিন্তু এগুলো হার্টের সমস্যাও হতে পারে।
চোয়াল, ঘাড়, পিঠ বা হাতে ব্যথা: বিশেষ করে বাম হাত বা পিঠে ছড়িয়ে পড়া ব্যথা হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম প্রাথমিক লক্ষণ।
কেন মানুষ এগুলোকে গুরুত্ব দেন না?
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক উপসর্গই স্ট্রেস, অ্যাসিডিটি বা ক্লান্তির মতো সাধারণ সমস্যার সঙ্গে মিলে যায়, তাই মানুষ গুরুত্ব দেন না। পুরুষরা সাধারণত বুকের ব্যথা অনুভব করেন, আর মহিলাদের ক্ষেত্রে থাকে আলাদা লক্ষণ- যেমন বমি ভাব, মাথা ঘোরানো বা ক্লান্তি।
কাদের বেশি ঝুঁকি?
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, স্থূলতা, ধূমপানের অভ্যাস, পরিবারে হার্টের অসুখের ইতিহাস, শরীরচর্চার অভাব- এসব ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি থাকে।
চিকিৎসকরা বলছেন, এই প্রাথমিক লক্ষণগুলি দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু হলে বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব।
স্বাস্থ্য ডেস্ক: